1. [email protected] : DainikBangladesh71Sangbad :
  2. [email protected] : Frilix Group : Frilix Group
  3. [email protected] : Kazi Aslam : Kazi Aslam
বর্তমান সময়ের সাংবাদিদের অবস্থা হয়ে যাচ্ছে চ্যালেঞ্জিং। - dainikbangladesh71sangbad
সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জরুরী নিয়োগ চলছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক বাংলাদেশ ৭১ সংবাদ দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি বা সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। সাংবাদিকতা সবার স্বপ্ন, আর সেই স্বপ্ন পূরণ করতে আপনাদেরকে সুযোগ করে দিচ্ছে দৈনিক বাংলাদেশ ৭১ সংবাদ দেখিয়ে দিন সাহসীকতার পরিচয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সাংবাদিকতার বিকল্প নেই। আপনার আশপাশের ঘটনা তুলে দরুন সবার সামনে।হয়ে উঠুন আপনিও সৎ, সাহসী সাংবাদিক। দৈনিক বাংলাদেশ ৭১ সংবাদ পোর্টাল নিয়োগ এর নিদের্শনাবলী: ১/জীবন বৃত্তান্ত ( cv) ২/জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি। ৩/সদ্যতোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি ১কপি। ৪/সর্বনিম্ন এইচএসসি পাস/সমমান পাস হতে হবে। ৫/বিভিন্ন নেশা মুক্ত হতে হবে। ৬/নতুনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ৭/স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। ৮/স্মার্টফোন ব্যবহারে পারদর্শী হতে হবে। ৯/দ্রুত মোবাইলে টাইপ করার দক্ষতা থাকতে হবে। ১০/বিভিন্ন স্থানে ভ্রমন এর মানসিকতা থাকতে হবে। ১১/সৎ ও পরিশ্রমী হতে হবে। ১২/অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। ১৩/নারী-পুরুষ আবেদন করতে পারবেন। ১৪/রক্তের গ্রুপ যুক্ত করবেন। ১৫/স্থানীয় দের সাথে পরিচয় লাভ করতে হবে। ১৬/উপস্থিত বুদ্ধি, সঠিক বাংলা বানান, ও শুদ্ধ বাংলায় পারদর্শী হতে হবে। ১৭/ পরিশ্রমী হতে হবে যোগাযোগের জন্য ইনবক্সে মেসেজ করুন cv [email protected] দৈনিক বাংলাদেশ ৭১সংবাদ মোবাইল নং(01715038718)

বর্তমান সময়ের সাংবাদিদের অবস্থা হয়ে যাচ্ছে চ্যালেঞ্জিং।

Reporter Name
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মে, ২০২২
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

আওরঙ্গজেব কামাল : সাংবাদিক ও সাংবাদ মাধ্যম একটি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ অংশ। এক কথায় গণমাধ্যম ছাড়া একটা দেশ পরিপূর্ণ নয়। সে ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রয়োজন রয়েছে। আর সাংবাদিকতা হচ্ছে সবচাইতে জীবন্তু ও আধুনিক পেশা। বুদ্ধিবৃত্তিক পেশা, সাংবাদিকতা কখনই মূর্খজনের পেশা নয়। কিছু মৌলিক কাঠামোই সাংবাদিকতাকে আধুনিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পেশার শক্ত ভিত্তি দিয়েছে। সাংবাদিকতাকে দাঁড়াতে হয় এই মৌলিক ভিত্তির উপর। এই ভিত্তি ও সংকট সম্পর্কে জানা না থাকলে সাংবাদিকতা হয়তো করা যাবে, কিন্তু অবস্থানটি হয়ে যাবে টলটলায়মান। সাংবাদিকতা এগিয়েছে যুগ যুগ ধরে। সময় পাল্টেছে, সংকট বা চ্যালেঞ্জও ভিন্ন চেহারা নিয়েছে। কিন্তু সাংবাদিকতা থেমেতো থাকেইনি বরং এগিয়েছে আরও নতুন উজ্জলতা নিয়ে। আজকাল প্রায়শ:ই গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে দায়িত্বশীলতা ও নৈতিকতার বিষযটি উচ্চারিত হয় জোরেসোরে। দায়িত্বশীলতা প্রকৃত পক্ষে সাংবাদিকতার সাথে এমনভাবে ঘনিষ্ট যে, সে জন্য পৃথক কোন সংজ্ঞার প্রয়োজন হয় না। কারন সাংবাদিকতা পেশাটিই দায়িত্বশীল পেশা। প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকতা কখনও ‘অ-দায়িত্বশীল’ হতে পারে না। যারা দায়িত্বহীনভাবে সাংবাদিকতা পেশাকে ব্যবহার করেন, তারা আর যাই হোক ‘সাংবাদিক’ নন। অনেক সময় সাংবাদিক কে স্বেচ্ছাচারিতার জন্য অবশ্যই তাঁকে শাস্তির মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে। তেমনি সাংবাদিকতাতেও স্বেচ্ছাচারিতার কোন সুযোগ নেই। দেশ পরিচালনায় একজন স্বেচ্ছাচারী শাসককে স্বৈরাচার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তেমনি দায়িত্বজ্ঞানহীন একজন সম্পাদক বা সাংবাদিকও স্বৈরাচারী হয়ে ওঠতে পারেন। তাদের জন্য তাদের নিয়ন্ত্রিত গোটা গণমাধ্যমটিও প্রকৃত গণমাধ্যমের চরিত্র হারাতে পারে। একজন সাংবাদিক যে সমাজে কাজ করেন সেই সমাজ কতটা শিক্ষিত, কতটা অগ্রসর, কতটা উদার, সমাজের আত্মীকরণের ক্ষমতা কতটা দৃঢ়, এসব বিষয় উদারভাবে বিশ্লেষন করার ক্ষমতা নৈতিকতার দৃঢ় ভিত্ তৈরি করে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার হিসেব ছাড়াও একটি সমাজে প্রবহমান সংস্কৃতি নৈতিকতার একটি বড় আশ্রয়। রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্ব যদি অগ্রসর চিন্তা না করে বা ভিন্নমত ধারণ করার মতো উদারতা না দেখায়, তাহলে সেখানেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নানাভাবে বিঘ্নিত হয়। তৈরি হয় নানামুখী সংকট। তাই আমাদের গণমাধ্যমও সেই সংকটের বাইরে নয়। ফলে বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িযেছে। আমাদের দেশের সাংবাদিকতা নিয়ে সম্প্রতিক কালে অতিরিক্ত অভিযোগ উঠছে। মূল ধারার গণমাধ্যমের বাইরে থেকে মূল ধারার গণমাধ্যমের দিকে আঙ্গুল তোলা হচ্ছে। অন্যদিকে মূলধারার গণমাধ্যম আবার আন্ডার গ্রাউন্ড সাংবাদিক বলে একটি শব্দ ব্যবহার করছে। উভয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। এর মাঝে পুরো সংবাদ মাধ্যমই বিতর্কিত হচ্ছে। শুধু সাংবাদিকদের নিজেদের অত্নদন্দের কারনে। যে কারনে এখন অনেকে সাংবাদিকদের সাংঘাতিক বলতেও ছাড়ছে না। সেই বিষয়ে আমি একটি পরে আলোচনা করবো। একটু পিছনের সাংবাদিকতার ইতিহাসে দেখাযায় বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর আমাদের সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। কিন্তু সাংবাদিকতা পূর্ণাঙ্গ রূপ পাওয়ার আগেই দেশের ওপর নেমে আসে ভয়াবহ বিপর্যয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড, সামরিক শাসন ফিরে আসা এবং ১৯৯০ সাল পর্যন্ত রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের ফলে আমাদের সাংবাদিকতা পিছু হটতে বাধ্য হয়। আমরা আগের সংগ্রামী ভূমিকায় ফিরে যাই। আব্রাহাম লিংকনের ভাষায়, ‘গভর্নমেন্ট অফ দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল, ফর দ্য পিপল’ অর্থাৎ জনগণকে নিয়ে, জনগণের দ্বারা গঠিত ও জনগণের কল্যাণে নিবেদিত সরকারের জন্য আমরা সংগ্রাম চালিয়ে যেতে থাকি। আধুনিক সাংবাদিকতা অর্থে, বাংলাদেশে প্রকৃত সাংবাদিকতার বিকাশ শুরু হয় ১৯৯১ সাল পরবর্তী সময়ে। যখন গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা ক্ষমতায় আসেন এবং জাতীয় সংসদ দেশের নির্বাহী বিভাগকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার সাংবিধানিক দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করা শুরু করে, তখন থেকে। ১৯৯১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত, গণমাধ্যমের সংখ্যা বেড়েছে। এর মধ্যে অনেক সংবাদপত্র, সাপ্তাহিক পত্রিকা, টিভি চ্যানেল, অনলাইন প্ল্যাটফর্মের যাত্রা শুরু হয়েছে। তবে, সার্বিক গুণগত মানের বিষয়টি সম্পূর্ণ চিত্র ভিন্ন। বর্তমান সময়ের অধিকাংশ পত্রিকা বা মিডিয়ার সাংবাদিকরা তেমন কোন বেতন ভাতা পায় না। আমার প্রশ্ন তারা চলে কি ভাবে? আবার দেখা যায় সাংবাদিকতা কে পুজি করে অনেকে কোটি পতি বনে গেছেন। তথ্য অনুসন্ধোনে জানাযায় অনেক প্রকৃত নিবিদিত প্রাণ সাংবাদিক খুব মানবাতার জীবন যাবন করছে। এরও বা কারন কি? সে যাই হোক আমরা জানি সাংবাদিকদের বেতন ভাতার একটি বাধ্যতামূলক ওয়েজ বোর্ড রযেছে। কিন্তু তাতে কি লাভ । নিরীক্ষা থেকে জানা গেছে, হাতেগোনা কয়েকটি গণমাধ্যম ছাড়া কেউ ওয়েজ বোর্ড অনুযায়ী বেতন বা তার কাছাকাছি পরিমাণ অর্থও কর্মীদের দেয় না। তারপরেও কয়েক বছর পর পর নতুন ওয়েজ বোর্ড করা হয় এবং অল্প কিছু প্রতিষ্ঠানকে এটি মেনে চলতে বাধ্য করা হয়। এই নীতি কি মানসম্পন্ন সাংবাদিকতায় সহায়তা করছে ? এ প্রশ্ন এখন সকল সাংবাদিকদের। এ ছাড়া আমার দৃষ্টিতে, গণমাধ্যমের ভূমিকা সম্পর্কে সরকার, মালিক ও এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার মনে একটি মৌলিক বিভ্রান্তি রয়েছে। এই বিভ্রান্তি থেকে গণমাধ্যমের শীর্ষ পদের ব্যক্তিরাও মুক্ত নন। কখন কি হয় এই ভয়ে অনেকে স্বাধীন মত প্রকাশ করতে পারে না। মালিকদের প্রেক্ষাপটে, অল্প কয়েকজন ছাড়া বেশিরভাগই এই খাতের বিশেষায়িত প্রকৃতি অনুধাবনে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের মালিকানায় থাকা অন্য অনেক কিছুর তুলনায় গণমাধ্যম যে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি প্রতিষ্ঠান, এই ব্যাপারটি প্রায়ই তাদের চিন্তায় থাকে না। প্রতিটি পণ্যের গুণগত মানের যেমন একটি সুনির্দিষ্ট নির্ণায়ক থাকে, তেমনি, গণমাধ্যমের গুণগত মান নির্ভর করে তার ‘বিশ্বাসযোগ্যতার’ ওপর। এই বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হয় সরকার, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়, সব ধরনের ক্ষমতার উৎস, যার মধ্যে গণমাধ্যম মালিকের নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত—এসব বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার ওপর।অনেক মালিক গণমাধ্যমকে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রচারযন্ত্র হিসেবে দেখেন এবং সাংবাদিকদের জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচনা করেন। নিঃসন্দেহে এসব মালিক ‘গণমাধ্যমকে’ স্বাধীন ব্যবসা হিসেবে বিবেচনা করেন না। তারা ভাবেন, এটি একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। যা তার অন্য প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভরশীল করে টিকিয়ে রাখা হবে। কখনো স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে দেওয়া হবে না। এমন গণমাধ্যম মালিকপক্ষ খুব সহজে তাদের ইচ্ছে অনুযায়ী পরিচালনা করতে পারে। তাদের গণমাধ্যম সংজ্ঞায়িত হচ্ছে এভাবে যে, এই সহযোগী প্রতিষ্ঠান একই মালিকের অন্য ব্যবসার স্বার্থের দিকে লক্ষ্য রাখবে এবং অনেক ক্ষেত্রে এই দায়িত্বের অংশ হিসেবে ব্যবসায়ীক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। এখনই যদি সাংবাদিকদের পেশাগত সততার দিকে সবাই নজর না দেই, অদূর ভবিষ্যতে সাংবাদিকতা বড় রকমের সংকটের মাঝে পড়ছে। তাই সংবাদ মাধ্যমের সকলেই বিষয়গুলো নিয়ে এখনই উদ্যোগী হওয়ার সময় এসেছে। আমার মতে, আমরা সাংবাদিক হিসেবে নিজ পেশার মৌলিক নীতিগুলো সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারিনি এবং পুরনো পক্ষপাতমূলক মানসিকতাকে এর মধ্যে নিয়ে এসেছি। ফলে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নিরপেক্ষ, নির্মোহ সাংবাদিকতা বাংলাদেশের জন্য খুবই জরুরি। এই বিষয়টি আমাদের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার ক্ষেত্রে একটি মৌলিক চাহিদা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © 2020 DainikBangladesh71Sangbad
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )
%d bloggers like this: